Have a Wetpaint account? Sign in
Welcome! This is a website that everyone can build together. It's easy!
Home
If you can't see Bangla properly, Click Here
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
| | বাংলাভাষাভাষীদের জন্য দ্বীন ইসলামকে সহজ ও সাবলীল করে পেশ করার প্রয়াস । => ইসলাম সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন, মাসআলা-মাসায়েল, আকীদা, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব ইত্যাদি বিষয়ে আপনার প্রশ্ন রাখুন: এই ঠিকানায় । -ইনশাআল্লাহ্ যথাসম্ভব দ্রুত সাইটে আপনার প্রশ্নের জবাব পেয়ে যাবেন। আল্লাহ্ আমাদের সৎকাজে সহযোগিতা করুন । আমীন । |
-ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
| কুরআনুল কারীম |
| ১) পড়ুন আপনার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। ২) সৃষ্টি করেছেন মানুষকে 'আলাক' হতে। ৩) পড়ুন, আর আপনার প্রতিপালক মহামহিমান্বিত। ৪) যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন। ৫) শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানত না। [সূরা আল-আলাকঃ ১-৫] |
| |
| হাদীস শরীফ |
| ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আমার নিকট (স্বপ্নে অথবা মিরাজে) উম্মাতদের পেশ করা হল। আমি এক জন নবীকে একটি ছোট দল সহ দেখলাম, কয়েকজন নবীকে একজন-দুইজন লোক সহ দেখলাম। আর এক নবীকে দেখলাম যে, তাঁর সাথে কেউ নেই। হঠাৎ করে আমাকে একটি বিরাট দল দেখানো হল। আমি ভাবলাম, এরা আমার উম্মাত। আমাকে বলা হল, এরা মূসা (আঃ) ও তাঁর উম্মত। তবে আপনি আসমানের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আমি দেখলাম, সেখানে বিরাট একটি দল। আবার আমাকে আসমানের অন্য দিকে তাকিয়ে দেখতে বলা হল। আমি দেখলাম, সেখানেও বিরাট দল। তারপর আমাকে বলা হল, এসব আপনার উম্মত। আর তাদের মধ্য থেকে সত্তুর হাজার লোক বিনা হিসাবে ও বিনা শাস্তিতে জান্নাতে যাবে।" ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, তার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখান থেকে উঠে তাঁর হুজরায় গেলেন। এ সময় সাহাবীগণ ঐ সব লোকের ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন যারা বিনা হিসাবে ও বিনা শাস্তিতে জান্নাতে যাবেন। কেউ বললেন, বোধ হয় তারা ঐ সব লোক যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লামের সহচর্য লাভ করেছেন। কেউ বললেন, মনে হয় তারা মুসলমান হয়ে জম্মগ্রহনণ করেছে এবং আল্লাহর সাথে শির্ক করেনি। এভাবে সাহাবীগণ বিভিন্ন কথা বলাবলি করছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এসে বললেন, "তোমরা কোন ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করছ ?" তাঁরা তাঁকে বিষয়টা সম্পর্কে জানালেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তারা হচ্ছে ঐ সব লোক যারা তাবীজ-তুমারের কারবার করে না এবং করায়ও না। আর তারা কোন কিছুকে শুভ ও অশূভ লক্ষন হিসাবে গ্রহণ করে না এবং তারা এক মাত্র তাদের প্রভু আল্লাহর উপরই তাওয়াক্কুল করে।" উক্কাশা ইবনে মিহসান (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যাতে তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বলেন, "তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত"। তার পর আর একজন উঠে বললেন, আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যাতে আমাকেও তিনি তাদের মধ্যে গণ্য করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "উক্কাশা এ ব্যাপারে তোমার অগ্রবর্তী হয়ে গেছে।" (বুখারী,কিতাবুত তিব্ব,ফাতহুল বারী ১০/১৩০-১৩১; মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, ২২০ নং হদীস) |
| |
| আকীদা |
| ১। ইসলামী আইন না মানার বিধান কুরআন ও হাদীসের এত সুস্পষ্ট ঘোষণা থাকার পরও অধিকাংশ মুসলমান ব্যাপারটির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারেন না, শয়তান তাদেরকে বিভিন্নভাবে তা উপলব্ধি করতে দেয় না। কারণ সে মানুষকে দু'ভাবে প্রতারিত করে হক্ক পথ থেকে দুরে সরিয়ে রাখে . . . . . বইটি পড়ুন >>> ২। আল্লাহকে পেতে মাধ্যম গ্রহণ স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে মাধ্যম মানার ব্যাপারটা অত্যন্ত বিপজ্জনক বিষয়। পরিতাপের বিষয় যে, অনেক মুসলমানই এ সম্পর্কে পরিষ্কার কোন ধারণা রাখেনা। ফলে আমরা আল্লাহর সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হতে চলেছি , , , , , , বইটি পড়ুন >>> ৩। একান্ত কর্তব্য যদি প্রশ্ন করা হয়, তোমার রব বা পালনকর্তা কে? যদি তোমাকে প্রশ্ন করা হয়, তোমার দ্বীন কি? যদি প্রশ্ন করা হয় তোমার নবী কে? তাহলে কি জবাব দেবে??? . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . জবাব জানতে বইটি পড়ুন >>> |
| |
| ফিকহ্ / মাসআলা-মাসায়েল |
| প্রশ্নোত্তরঃ *) আল্লাহর পরিচয় কি? *) তিনি কোথায় থাকেন? *) তাঁর কোন আকার আছে না তিনি নিরাকার; থাকলে তিনি দেখতে কেমন? *) হিন্দুদের মত তাঁর কোন অবয়ব চিন্তা করা কিংবা তৈরী করার কোন সুযোগ কি ইসলামে আছে? .. . . . . . . . . . . . . . . . . . . .. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে বিস্তারিত পড়ুন >>> |
| |
| তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব |
| . . . . . . . . . . . . . . . . . . .. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . |
| |
| অন্যান্য গ্রন্থাবলী |
| ১। জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ফযীলত ও আমাদের করণীয় আল্লাহর খাস রহমত যে, তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য এমন কিছু মওসুম নির্ধারণ করে দিয়েছেন যাতে নেক আমল করে তারা তাদের আমলসমূহ বর্ধিত করে নিবে, এ সমস্ত মওসুমের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি মওসুম হলোঃ জ্বিলহজ্জের প্রথম দশ দিন , , , , , , বইটি পড়ুন >>> ২। শবে বরাত ও প্রাসংগিক কিছু কথা শব' শব্দটি ফারসী শব্দ যার অর্থ রাত বা রজনী। আর 'বরাত' শব্দটিও ফারসী শব্দ যার অর্থ ভাগ্য। তাই দু'শব্দের অর্থ হলো: ভাগ্য রজনী। অনেকে বরাত শব্দটিকে আরবী মনে করে থাকেন। যা সম্পূর্ণ ভূল; কারণ বরাত বলতে আরবী ভাষায় কোন বাক্য নেই , , , , , , বইটি পড়ুন >>> |
| |
| প্রবন্ধ/নিবন্ধ |
| |
| |
© -এ সাইটের সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
যোগাযোগ
|
aburazin |
Latest page update: made by aburazin
, Oct 15 2008, 1:53 PM EDT
(about this update
About This Update
1 word added 1 word deleted view changes - complete history) |
|
Keyword tags:
None
More Info: links to this page
|
There are no threads for this page.
Be the first to start a new thread.

